অ্যাডমিশন চলছে AIinBangla'র কোর্সগুলোতে, ৪০% ডিস্কাউন্ট! ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

AI Champions কোর্স দেখুন
মূল অংশে যান
AIinBangla

Chrome Web Store এ এক্সটেনশন পাবলিশ: Developer অ্যাকাউন্ট, রিভিউ আর রিজেক্ট হলে কী করবেন

Chrome Web Store developer অ্যাকাউন্ট খোলা, ফি, কোন ট্যাবে কী লিখবেন, রিভিউতে কত দিন লাগে আর রিজেক্ট হলে কোড দেখে কীভাবে ঠিক করবেন, বাংলাদেশ থেকে।

Chrome Web Store এ এক্সটেনশন প্রকাশ: ল্যাপটপ, গিয়ার, দোকান আর পতাকা, কাগজ কেটে বানানো ছবি

Chrome Web Store এ এক্সটেনশন পাবলিশ করতে Chrome Developer Dashboard এ একটা Developer অ্যাকাউন্ট খুলে এককালীন রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়, তারপর zip ফাইল আপলোড করে Store listing, Privacy আর Distribution ট্যাব পূরণ করে Submit for review চাপতে হয়। বাংলাদেশ Google এর সমর্থিত দেশের তালিকায় আছে, রিভিউ সাধারণত কয়েক দিনে শেষ হয়, আর রিজেক্ট হলে ইমেইলে নিয়মের নাম আসে, সেটা ঠিক করে আবার জমা দেওয়া যায়।

এক নজরে

  • বাংলাদেশ থেকে Chrome Web Store এ রেজিস্ট্রেশন করা যায়, ফি একবারই দিতে হয়।
  • পাবলিশের আগে Google অ্যাকাউন্টে 2-Step Verification চালু থাকা বাধ্যতামূলক।
  • রিভিউ সাধারণত কয়েক দিনে হয়, তিন সপ্তাহ পেরোলে সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।
  • রিজেক্টের ইমেইলে থাকা কোড (যেমন Purple Potassium) দেখে ঠিক করুন, তারপর আবার জমা দিন।

বাংলাদেশ থেকে কি Chrome Web Store এ পাবলিশ করা যায়?

হ্যাঁ, যায়। Chrome Web Store শুধু নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে ডেভেলপার রেজিস্ট্রেশন নেয়, আর অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সেই তালিকায় বাংলাদেশ আছে (Chrome for Developers, Register)।

এই লেখাটা এক্সটেনশন বানানো হয়ে যাওয়ার পরের ধাপ নিয়ে। বানানোর অংশ, মানে Claude দিয়ে manifest.json আর বাকি ফাইল লেখা আর নিজের Chrome এ Load unpacked দিয়ে চালানো, আছে AI দিয়ে Chrome এক্সটেনশন বানানোর লেখায়। এখানে আমরা দেখব স্টোরে তোলার পুরো রাস্তা, আর কোথায় সবাই আটকায়।

Developer অ্যাকাউন্ট খুলতে কী লাগে?

একটা Google অ্যাকাউন্ট, এককালীন রেজিস্ট্রেশন ফি দেওয়ার মতো কার্ড, আর 2-Step Verification চালু থাকা। ফি একবার দিলে আর দিতে হয় না।

Chrome Web Store এ এক্সটেনশন প্রকাশ: ল্যাপটপ, ফোল্ডার আর পরিচয়পত্র, কাগজ কেটে বানানো ছবি

অফিশিয়াল পাতায় ফি এর পরিমাণ লেখা নেই, রেজিস্ট্রেশনের স্ক্রিনেই দেখায়। তাই অঙ্কটা সেখানে দেখে নিন, আর কার্ডে অনলাইনে ডলারে পেমেন্ট চালু আছে কিনা ব্যাংকে জিজ্ঞেস করে রাখুন।

শুরুর আগে তিনটা জিনিস মাথায় রাখুন:

  • ইমেইল পরে বদলানো যায় না। Developer অ্যাকাউন্ট যে ইমেইলে খুলবেন, সেটা পরে আর পাল্টানো যায় না (Chrome for Developers)। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে না খুলে কাজের জন্য আলাদা একটা Gmail খোলা ভালো।
  • 2-Step Verification বাধ্যতামূলক। Google এর Developer Program Policies বলছে, এক্সটেনশন পাবলিশের আগে সব ডেভেলপার অ্যাকাউন্টে এটা চালু থাকতে হবে (Program Policies)।
  • শুরুতে সর্বোচ্চ দুটো এক্সটেনশন। নতুন পাবলিশার প্রথমে সর্বোচ্চ ২টা এক্সটেনশন পাবলিশ করতে পারেন, পরে সীমা বাড়ানোর আবেদন করা যায়। থিমের ক্ষেত্রে এই সীমা নেই (Publish in the Chrome Web Store)।

জমা দেওয়ার আগে কী কী তৈরি রাখবেন?

সংক্ষেপে: একটা zip ফাইল, তিন রকমের ছবি, একটা প্রাইভেসি পলিসির লিংক আর প্রতিটা অনুমতির ব্যাখ্যা। আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে ড্যাশবোর্ডে বসে আটকাতে হয় না।

জিনিস মাপ বা নিয়ম লাগবেই?
এক্সটেনশন আইকন ১২৮x১২৮ পিক্সেল PNG, zip এর ভেতরে হ্যাঁ
Small promotional image ৪৪০x২৮০ পিক্সেল হ্যাঁ
স্ক্রিনশট ১২৮০x৮০০ বা ৬৪০x৪০০, কমপক্ষে ১টা, সর্বোচ্চ ৫টা হ্যাঁ, অন্তত ১টা
Marquee image ১৪০০x৫৬০ পিক্সেল না, শুধু ফিচার্ড হতে চাইলে
প্রাইভেসি পলিসি URL কোন ডেটা নেন, কী করেন, কার সাথে শেয়ার করেন ইউজারের ডেটা নিলে হ্যাঁ

ছবির মাপ Chrome for Developers এর Images পাতা থেকে, অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। স্ক্রিনশটের জন্য ১২৮০x৮০০ ভালো, কারণ স্টোর সব স্ক্রিনশট ছোট করে ৬৪০x৪০০ তে দেখায়। প্রোমো ছবি AI দিয়ে বানাতে চাইলে AI দিয়ে ছবি বানানোর নিয়ম দেখে নিতে পারেন, তবে স্ক্রিনশট হতে হবে আসল এক্সটেনশনের।

জমা দেওয়ার আগে নিজের Chrome এ আবার Load unpacked দিয়ে ঠিক সেই zip এর ফাইলগুলো চালিয়ে দেখুন। ফাইলের নামের বড় হাতের আর ছোট হাতের অক্ষরের অমিলেই অনেক এক্সটেনশন রিজেক্ট হয়।

Dashboard এ কোন ট্যাবে কী লিখবেন?

Chrome Developer Dashboard এ Add new item চেপে zip আপলোড করুন, তারপর চারটা জায়গা পূরণ করে Submit for review দিন। প্যাকেজের সর্বোচ্চ মাপ ২ GB, যা সাধারণ এক্সটেনশনের জন্য যথেষ্ট।

Chrome Web Store এ এক্সটেনশন প্রকাশ: টিক চিহ্ন দেওয়া ঢাল, সতর্কতার ত্রিভুজ আর পতাকা, কাগজ কেটে বানানো ছবি
০১Store listingনাম, বর্ণনা, ক্যাটাগরি, ভাষা আর ছবি। বর্ণনায় এক্সটেনশন যা যা করে সব লিখুন, যা করে না তা লিখবেন না।
০২Privacyএক লাইনে একক উদ্দেশ্য (single purpose), প্রতিটা permission কেন লাগে, remote code আছে কিনা, কোন ধরনের ইউজার ডেটা নেন, আর প্রাইভেসি পলিসির লিংক।
০৩Distributionফ্রি না পেইড, কোন কোন দেশে দেখাবে, আর কারা দেখতে পাবে।
০৪Test instructionsলগইন লাগলে রিভিউয়ারের জন্য টেস্ট অ্যাকাউন্ট আর ধাপ। লগইন না লাগলে এটা ফাঁকা থাকতে পারে।
০৫Submit for reviewডায়ালগে চাইলে স্বয়ংক্রিয় পাবলিশ বন্ধ রাখতে পারেন, রিভিউ শেষে ৩০ দিনের মধ্যে নিজে পাবলিশ করবেন।
সূত্র: Chrome for Developers এর Publish আর Privacy পাতা, অক্টোবর ২০২৬।

Privacy ট্যাবটাই সবচেয়ে বেশি ঝামেলার। এখানে Claude বা ChatGPT কাজে আসে: manifest.json টা দিয়ে বলুন, "প্রতিটা permission কেন দরকার এক লাইনে ইংরেজিতে লেখো, আর যেটা কোডে ব্যবহার হয়নি সেটা আলাদা করে দেখাও"। অব্যবহৃত permission মুছে তারপর জমা দিন।

শেষ ধাপে স্বয়ংক্রিয় পাবলিশ বন্ধ রাখলে, রিভিউ পাস করার পর ৩০ দিনের মধ্যে পাবলিশ না করলে জমাটা আবার ড্রাফট হয়ে যায় (Publish পাতা)।

রিভিউতে কত দিন লাগে?

Google এর হিসাবে বেশিরভাগ এক্সটেনশনের রিভিউ কয়েক দিনের মধ্যে হয়, তবে কয়েক সপ্তাহও লাগতে পারে। তিন সপ্তাহের বেশি Pending থাকলে ডেভেলপার সাপোর্টে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে (Chrome Web Store review process)।

কিছু জিনিস রিভিউ লম্বা করে, আর নতুনদের ক্ষেত্রে প্রায় সবগুলোই খাটে:

  • নতুন ডেভেলপার, নতুন এক্সটেনশন।
  • বড় পরিসরের host permission, যেমন সব ওয়েবসাইটে চলার অনুমতি (<all_urls>)।
  • বড় বা পড়তে কঠিন কোড। কোড লুকানো (obfuscation) নিষেধ, ছোট করা (minification) চলে।
  • আগে রিজেক্ট বা সতর্কবার্তা খাওয়া এক্সটেনশন।

তাই প্রথম এক্সটেনশন যত ছোট আর সরল রাখবেন, তত দ্রুত পাস করার সম্ভাবনা। সব সাইটে চলার দরকার না থাকলে শুধু নির্দিষ্ট সাইটের অনুমতি চান, বা activeTab ব্যবহার করুন।

এক্সটেনশন রিজেক্ট হয় কেন?

রিজেক্ট হলে পাবলিশার ইমেইলে একটা নোটিশ আসে, যেখানে কোন নিয়ম ভেঙেছে তার নাম আর একটা রঙ ও ধাতুর নামের কোড থাকে। কোডটা দেখে Google এর troubleshooting পাতায় সমাধান খুঁজুন। নতুনদের সবচেয়ে বেশি যেগুলো আসে:

কোড মানে কী করবেন
Purple Potassium অদরকারি বা অব্যবহৃত permission চাওয়া যেটা লাগে না মুছে দিন, সবচেয়ে ছোট permission চান
Yellow Magnesium বর্ণনামতো কাজ করে না, প্রায়ই ফাইল বা পাথ ভুল zip টা নিজে চালিয়ে দেখুন, ফাইলের নাম মিলিয়ে নিন
Yellow Zinc আইকন, নাম, স্ক্রিনশট বা বর্ণনা নেই বা বিভ্রান্তিকর সব প্রধান ফিচার পরিষ্কার করে লিখুন
Purple Lithium ইউজারের ডেটা নেয় কিন্তু প্রাইভেসি পলিসির লিংক নেই কাজ করা প্রাইভেসি পলিসি URL দিন
Red Magnesium গোষ্ঠী এক এক্সটেনশনে একাধিক আলাদা উদ্দেশ্য একটা কাজে নামিয়ে আনুন, বাকিগুলো আলাদা এক্সটেনশনে
Blue Argon বাইরে থেকে কোড এনে চালানো সব স্ক্রিপ্ট প্যাকেজের ভেতরে রাখুন, eval বাদ দিন
Yellow Potassium শুধু অন্য সাইটের লিংক, নিজের কাজ নেই এক্সটেনশনের ভেতরেই আসল কাজটা দিন

সূত্র: Troubleshooting Chrome Web Store violations, অক্টোবর ২০২৬। ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড বা পেওয়াল এড়ানোর মতো এক্সটেনশন নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় পড়ে, এগুলো বানানোর চেষ্টাই করবেন না।

রিজেক্ট হলে কী করবেন?

ভয় পাওয়ার কিছু নেই। রিজেক্ট হলে আপনার আগের পাবলিশ করা লিস্টিং যেমন ছিল তেমনই থাকে, আর ইউজারদের কিছু জানানো হয় না (review process)।

  1. ইমেইলের কোড আর নিয়মের নাম কপি করুন।
  2. Claude কে manifest.json, মূল JS ফাইল আর রিজেক্টের ইমেইল দিয়ে জিজ্ঞেস করুন, ঠিক কোন লাইন বা permission এর জন্য সমস্যা।
  3. ঠিক করে ভার্সন নম্বর বাড়ান, নতুন zip বানিয়ে আপলোড করুন।
  4. Privacy ট্যাবের ব্যাখ্যা নতুন কোডের সাথে মিলিয়ে আবার Submit দিন।

যদি মনে হয় রিভিউয়ার ভুল বুঝেছেন, আপিল করা যায়। সতর্কবার্তা বা সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্যাশবোর্ডে আইটেমের পাতায় Appeal বোতাম আছে। অন্য সমস্যায় One Stop Support ফর্ম, উত্তর আসতে তিন দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। আপিলে আবেগ নয়, কোন ফিচার কেন দরকার সেটা সংক্ষেপে লিখুন।

রিভিউ এড়াতে কোড লুকানো, একই এক্সটেনশন অন্য নামে বারবার জমা দেওয়া বা রেটিং কেনা Google এর নিয়মে স্প্যাম আর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা। এতে পুরো অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হতে পারে।

পাবলিশের পর কী করবেন?

পাবলিশ হলেই কাজ শেষ না। প্রথম কয়েক সপ্তাহ ইউজারের রিভিউ পড়ুন, বাগ ঠিক করে নতুন ভার্সন দিন। প্রতিটা আপডেটও রিভিউ হয়, তাই বড় পরিবর্তন একসাথে না দিয়ে ছোট ছোট করে দিন।

এক্সটেনশন দিয়ে কী করা যায়, নিজের কাজ সহজ করা থেকে ক্লায়েন্টের জন্য বানানো পর্যন্ত, তার ধারণা আছে কোড না জেনে অ্যাপ বানানোর লেখায়। আর পুরো কাজটা, এক্সটেনশন বানানো, অ্যাসেট তৈরি আর Web Store এ জমা দেওয়া, ধাপে ধাপে ভিডিওতে দেখানো আছে AI দিয়ে অ্যাপ ও ডিজিটাল প্রোডাক্ট কোর্সে।

তথ্যসূত্র: Register your developer account; Publish in the Chrome Web Store; Supplying images; Privacy practices tab; Review process; Troubleshooting violations; Developer Program Policies. সর্বশেষ যাচাই: ১৪ অক্টোবর ২০২৬।

সচরাচর যা জিজ্ঞেস করা হয়

Chrome Web Store developer account খুলতে কত টাকা লাগে?
একবারের একটা রেজিস্ট্রেশন ফি লাগে, প্রতি বছর না। Google এর অফিশিয়াল পাতায় অঙ্কটা লেখা নেই, রেজিস্ট্রেশনের স্ক্রিনে দেখায়, তাই সেখানে দেখে নিন। অনলাইনে ডলারে পেমেন্ট করা যায় এমন কার্ড লাগবে।
বিকাশ দিয়ে কি Chrome Web Store এর ফি দেওয়া যায়?
অফিশিয়াল পাতায় বিকাশের কোনো উল্লেখ নেই। সাধারণত ব্যাংকের কার্ড দিয়ে দিতে হয়, যেটাতে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট চালু। কার্ডে এটা চালু আছে কিনা ব্যাংকে জিজ্ঞেস করে নিন।
Chrome extension rejected হলে কি অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়?
না, সাধারণ রিজেক্টে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয় না। ইমেইলে কোন নিয়ম ভেঙেছে তা জানানো হয়, ঠিক করে আবার জমা দেওয়া যায়। তবে বারবার একই ভুল, স্প্যাম বা ফাঁকির চেষ্টা করলে সাসপেন্ড হতে পারে।
Chrome Web Store রিভিউতে কত দিন লাগে?
Google বলছে বেশিরভাগ এক্সটেনশন কয়েক দিনে রিভিউ হয়, কিছু ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ লাগে। নতুন ডেভেলপার আর বেশি permission থাকলে সময় বেশি লাগে। তিন সপ্তাহ পেরোলে সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।
প্রাইভেসি পলিসি না থাকলে কি এক্সটেনশন জমা দেওয়া যায়?
এক্সটেনশন যদি ইউজারের কোনো ডেটা নেয়, তাহলে প্রাইভেসি পলিসির কাজ করা লিংক লাগবেই, না থাকলে Purple Lithium কোডে রিজেক্ট হয়। ডেটা একদম না নিলেও একটা ছোট পলিসি পাতা রাখা নিরাপদ।
নতুন অ্যাকাউন্ট থেকে কয়টা এক্সটেনশন পাবলিশ করা যায়?
নতুন পাবলিশার শুরুতে সর্বোচ্চ ২টা এক্সটেনশন পাবলিশ করতে পারেন, পরে সীমা বাড়ানোর আবেদন করা যায়। থিমের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য না। তথ্যটা অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

অ্যাপ আর ডিজিটাল প্রোডাক্ট বানাতে চাইলে

AI দিয়ে অ্যাপ ও ডিজিটাল প্রোডাক্ট কোর্সে ইবুক, ডিজাইন অ্যাসেট, স্লাইড, Chrome এক্সটেনশন আর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বানিয়ে স্টোরে প্রকাশ করা ধাপে ধাপে দেখানো আছে, কোড না জেনেই, বাংলায়।

অ্যাপ ও ডিজিটাল প্রোডাক্ট কোর্সটা দেখুন

AI টুলস হেভেন বইয়ের কভার
এই লেখার পরের ধাপ, ফ্রি বাংলা বই

AI টুলস হেভেন

কোন কাজে কোন ধরনের টুল লাগে তার মানচিত্র, বাছাইয়ের চেকলিস্ট, আর খরচ ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম।

বইটা ফ্রি নিন

অন্য কাজের বই খুঁজছেন? পুরো লাইব্রেরি, ১২টা বই

বিষয়
নাসির উদ্দিন শামীম
লেখক

নাসির উদ্দিন শামীম

ঢাকা থেকে বলছি। ইন্টারনেট মার্কেটিং করি, আর নতুন কোনো এআই টুল বের হলেই সেটা ধরে দেখি কাজে লাগে কি না। যেটা সত্যিই কাজের, সেটা নিয়ে ফেসবুক আর ইউটিউবে কথা বলি। এখানে সেই জিনিসগুলোই গুছিয়ে শেখানোর চেষ্টা করি, যাতে আপনি নিজেও কাজে লাগাতে পারেন।

পড়া শেষ?

লেখাটা পড়েছেন মানে আপনি জিনিসটা বুঝেছেন, এখন এইটা আরও Detailed শিখে কাজে নেমে যাওয়ার পালা...

৩০ সেকেন্ডের কুইজ বলে দিবে আপনার অবস্থায় কোন কোর্সটা লাগবে।

Nasir Uddin Shamim

Nasir Uddin Shamim

Typically replies within 5-10 minutes.

I will be back soon

Nasir Uddin Shamim
Hey there 👋
It’s your friend Nasir Uddin Shamim. How can I help you?