ড্যাশবোর্ড
লগইনের পর এখানেই আসবেন। উপরে দেখাবে আপনি কোথায় থেমেছিলেন আর পরের ভিডিওটা কোনটা। "শুরু করুন" চাপলেই সোজা সেখানে চলে যাবে, কোর্সের ভেতর খুঁজতে হবে না।
দেখুনকোর্স কেনা সহজ, শেষ করা কঠিন। এই পাতাটা সেই কঠিন অংশটার জন্য, কোন সেশন কী কাজে লাগে, কোন ক্রমে করবেন, আর প্রতিটা সেশনের পর হাতে-কলমে কী করবেন।
যারা ছেড়ে দেয়, তারা প্রায় সবাই প্রথম সপ্তাহেই ছাড়ে। তাই এই সাত দিনের কাজ ইচ্ছা করেই ছোট রাখা।
তিনটা ভিডিও, আধা ঘণ্টার কম। শেষে কুইজটা দিন। এই দিনের কাজ এতটুকুই, বেশি করতে গেলে দ্বিতীয় দিন আর বসা হয় না।
সেশন ১-এ ফ্রি টোকেন নেওয়ার নিয়ম দেখানো আছে। ওটা আগে সেরে নিন। পরে ভিডিও দেখতে দেখতে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে সময় নষ্ট হয়।
ভিডিও বানিয়ে টাকা, নাকি লিখে, নাকি ক্লায়েন্টের কাজ করে, যেকোনো একটা। নিচের "কোন পথে যাবেন" অংশটা পড়ুন। তিনটা একসাথে ধরলে একটাও হয় না।
দিনে একটা ভিডিও। দেখার পর সাথে সাথে নিজে করে দেখুন। না করে পরের ভিডিওতে গেলে কিছুই থাকে না।
একটা ভিডিও, একটা আর্টিকেল, একটা ছবি, যা-ই হোক। প্রথমটা খারাপ হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু হাতে একটা জিনিস থাকতে হবে।
যেটা বানিয়েছেন সেটা কোথাও পোস্ট করুন। তারপর ড্যাশবোর্ডে গিয়ে "আপনার অগ্রগতি" থেকে জানিয়ে দিন কী করলেন। এক সপ্তাহে এতটুকু হলে বাকিটা নিজেই চলবে।
লগইনের পর যে জায়গাগুলো আসলে কাজে লাগে।
লগইনের পর এখানেই আসবেন। উপরে দেখাবে আপনি কোথায় থেমেছিলেন আর পরের ভিডিওটা কোনটা। "শুরু করুন" চাপলেই সোজা সেখানে চলে যাবে, কোর্সের ভেতর খুঁজতে হবে না।
দেখুনপরপর কয় দিন এসেছেন সেটা গোনা হয়। এক দিন বাদ পড়লে স্ট্রিক ভাঙে না, পরের দিন এলেই টিকে যায়। দুই দিন গেলে শূন্য থেকে শুরু। সংখ্যাটা ছোট, কিন্তু এটাই সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
দেখুনপ্রতিটা কোর্স কয়েকটা সেশনে ভাগ করা, প্রতিটা সেশনে কয়েকটা ভিডিও। যেকোনো ক্রমে দেখা যায়, কিন্তু নিচের গাইডে যে ক্রম দেওয়া আছে সেটা ধরে গেলে দ্রুত ফল পাবেন।
দেখুনপ্রায় প্রতিটা সেশনের শেষে একটা কুইজ। নম্বরের জন্য না, কোন জায়গাটা আসলে বোঝেননি সেটা ধরার জন্য। ভুল হলে সেই ভিডিওটা আবার দেখুন, এটুকুই।
দেখুনপ্রথম ভিডিও পাবলিশ, প্রথম ক্লায়েন্ট, প্রথম ইনকাম, যা-ই হোক, ড্যাশবোর্ড থেকে জানাতে পারেন। অনুমতি দিলে সাইটে দেখাই, না দিলে দেখাই না। দুটোই ঠিক আছে।
দেখুনআটকে গেলে গ্রুপে লিখুন। প্রশ্নের সাথে স্ক্রিনশট দিলে উত্তর অনেক তাড়াতাড়ি আসে। কী চেষ্টা করেছেন সেটাও লিখবেন।
দেখুনএই কোর্সগুলো শেষ করে ছয় ধরনের কাজে যাওয়া যায়, চব্বিশটা আলাদা পথে। নিচে সবগুলোই আছে, কিন্তু বেছে নিবেন একটা। একসাথে দুটো ধরলে কোনোটাতেই ক্লায়েন্ট পাওয়ার মতো ভালো হবেন না।
নিচের টাকার অঙ্কগুলো কোর্সের দাম না। ওগুলো হলো এই কাজটা শিখে ফেললে একজন ক্লায়েন্ট আপনাকে যা দেয়, অর্থাৎ আপনার ইনকাম।
নিজের চ্যানেল বা পেজ দাঁড় করাবেন। শুরুতে ইনকাম ধীরে আসে, কিন্তু একবার দাঁড়িয়ে গেলে ঘুমানোর সময়েও চলতে থাকে।
টাকা দেয়: প্ল্যাটফর্ম মনিটাইজেশন, স্পনসর আর নিজের প্রোডাক্ট
মুখ না দেখিয়ে নিয়মিত ভিডিও। কোর্সের সবচেয়ে বড় সেশনটাই এই কাজের জন্য।
ভিউ আর মনিটাইজেশনের উপর নির্ভর করে
ইতিহাস বা গল্প নিয়ে ভিডিও। কনটেন্ট কখনো ফুরায় না, ভিউ ধরে রাখাও সহজ।
ভিউ আর মনিটাইজেশনের উপর নির্ভর করে
টেক্সট পোস্ট আর থ্রেড দিয়ে ফলোয়ার বানানো। ক্যামেরা লাগে না, ফোনেই হয়।
ফলোয়ার হলে স্পনসর আর নিজের প্রোডাক্ট
বানানো ক্যারেক্টার দিয়ে রিলস আর ব্র্যান্ড পোস্ট। নিজে ক্যামেরার সামনে আসতে হয় না।
ব্র্যান্ড ডিল, পোস্ট প্রতি দরদাম
সবচেয়ে দ্রুত প্রথম ইনকাম আসে এই ট্র্যাকে। দোকান, রেস্টুরেন্ট, ফার্মেসি, রিয়েল এস্টেট, সবারই ভিডিও লাগে, বানানোর লোক নেই।
টাকা দেয়: ছোট ও মাঝারি ব্যবসার মালিক
একটা পণ্যের ছোট ভিডিও, ছবি থেকেই বানানো যায়। শুরু করার সবচেয়ে সহজ কাজ।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳3,000 / কাজ
ফেসবুক-ইউটিউবে চালানোর মতো বিজ্ঞাপন। প্রোডাক্টে মডেল বসানো সহ।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳5,000 / অ্যাড
এক পেজের জন্য মাসে ৮-১২টা রিলস। একবার ক্লায়েন্ট পেলে প্রতি মাসে ইনকাম নিশ্চিত।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳12,000 / মাস
অ্যাকশন সিন, থ্রিডি অ্যানিমেশন। রেট বেশি, প্রতিযোগিতা কম।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳8,000 / সিন
ক্যামেরা, এডিটিং, কিছুই লাগে না। ফোন বা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট হলেই চলে। ইংরেজি ভালো হলে বাইরের ক্লায়েন্টও পাবেন।
টাকা দেয়: পেজ-মালিক, ব্লগ-মালিক, ই-কমার্স সাইট
রিসার্চ থেকে আউটলাইন, তারপর লেখা, পড়তে মানুষের লেখার মতো।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳1,500 / আর্টিকেল
এক মাসের সব পোস্ট, ক্যাপশন আর হুক লিখে দেওয়া।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳5,000 / মাস
পুরো পেজটাই চালানো, পোস্ট, শিডিউল, কমেন্টের উত্তর, অ্যাড অ্যাকাউন্ট।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳8,000 / মাস
ইউটিউব থাম্বনেইল, ফেসবুক ব্যানার, প্রোডাক্টের ছবি। ছোট কাজ, কিন্তু বারবার আসে।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳600 / টা
একবার বানাবেন, বারবার বিক্রি হবে। শুরুতে পরিশ্রম বেশি আর ইনকাম শূন্য, কিন্তু ক্লায়েন্টের পেছনে ছুটতে হয় না।
টাকা দেয়: যারা কিনবে, সরাসরি
ছোট একটা ইবুক নামিয়ে নিজের পেজ বা Gumroad-এ বিক্রি। ২০ পাতার হলেই চলে।
কত কপি বিক্রি হয় তার উপর নির্ভর করে
স্লাইড টেমপ্লেট, প্রম্পট প্যাক, ডিজাইন সেট। বানানো সহজ, ফেরত আসে বারবার।
কত কপি বিক্রি হয় তার উপর নির্ভর করে
কোড না লিখেই ছোট এক্সটেনশন। নিজে বেচুন, বা ক্লায়েন্টের জন্য বানিয়ে দিন।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳15,000 / এক্সটেনশন
অ্যাপ বানিয়ে প্লে-স্টোরে পাবলিশ। অ্যাড বা ক্লায়েন্টের কাজ, দুইভাবেই ইনকাম।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳25,000 / অ্যাপ
শিখতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে, ধৈর্য লাগে। কিন্তু একেকটা কাজের রেট সবচেয়ে বেশি, আর এই কাজ পারে এমন লোক দেশে খুব কম।
টাকা দেয়: যেসব ব্যবসা মানুষ দিয়ে কাজটা করাতে করাতে ক্লান্ত
পেজের মেসেজের উত্তর অটোমেটিক। যেকোনো অনলাইন দোকানের এটা সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳8,000 / সেটআপ
অর্ডার, ইমেইল, রিপোর্ট, হাতে করা কাজগুলো একবার সেট করে দেওয়া।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳12,000 / ওয়ার্কফ্লো
রসিদ থেকে শিট, শিট থেকে রিপোর্ট। ছোট কাজ, শেখাও সহজ, শুরু করার ভালো জায়গা।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳2,000 / কাজ
একটা ব্যবসার জন্য পুরো ছোট সিস্টেম, অ্যাপ, অটোমেশন আর চ্যাটবট একসাথে।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳40,000 / প্রজেক্ট
উপরের যেকোনো একটা ভালো পারলে তবেই এই ট্র্যাক। আগে না, শেখানোর আগে নিজে করে দেখাতে হয়।
টাকা দেয়: নতুন শিক্ষার্থী, ব্যবসা, আর বিদেশি ক্লায়েন্ট
Fiverr বা Upwork-এ যেটা পারেন সেটাই গিগ বানিয়ে দেওয়া। ডলারে ইনকাম।
গিগের রেট নিজে ঠিক করবেন
অফিস বা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে AI শেখানো। প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এখন সবচেয়ে চাহিদার বিষয়।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳10,000 / সেশন
কোন কাজে AI লাগবে সেটা বলে দেওয়া আর সেট করে দেওয়া। রিটেইনারে মাসিক ইনকাম।
ক্লায়েন্ট আপনাকে দেয় ৳8,000 / মাস
একা যতটা পারেন তার বেশি কাজ এলে লোক নিন। আপনি বিক্রি করবেন, তারা বানাবে।
কত কাজ ধরতে পারেন তার উপর
আরেকবার পরিষ্কার করে বলি: এই টাকাগুলো আপনি পাবেন, দিবেন না। ৳ দেওয়া মানে এই কাজটার জন্য বাংলাদেশে সাধারণত যা নেওয়া হয়, কেউ কত ইনকাম করবেন তার প্রতিশ্রুতি না। আর যেখানে টাকা দেয় প্ল্যাটফর্ম বা কাস্টমার, সেখানে কোনো নির্দিষ্ট রেট নেই বলে সংখ্যা বসানো হয়নি। শুরুতে কম রেটে কাজ ধরে কাজ দেখিয়ে দাম বাড়ানোই স্বাভাবিক নিয়ম।
প্রতিটা সেশনে কী পাবেন, আর শেষ ভিডিওটা শেষ হওয়ার সাথে সাথে কোন কাজটা করবেন।
AI আসলে কী আর কোনটা কী কাজে লাগে, সেটা পরিষ্কার হবে। সাথে প্রতি মাসে বড় অঙ্কের টোকেন ফ্রিতে নেওয়ার নিয়ম, যেটা না জানলে শুরুতেই টাকা খরচ হয়ে যায়।
প্রথম কাজ: ভিডিওতে দেখানো নিয়মে ফ্রি টোকেনটা এখনই নিয়ে নিন। পরের সব সেশনে এটা কাজে লাগবে।
মুখ না দেখিয়ে সম্পূর্ণ ভিডিও বানাতে পারবেন, আইডিয়া থেকে স্ক্রিপ্ট, ছবি, ভয়েস, এডিট, পাবলিশ পর্যন্ত। এটাই কোর্সের সবচেয়ে বড় সেশন, আর সবচেয়ে বেশি কাজ এখান থেকেই আসে।
প্রথম কাজ: একটা নিশ বেছে নিন আর একটাই ভিডিও বানান। পুরো সেশন দেখে তারপর শুরু করবেন ভাবলে শুরু হবে না।
ইতিহাস নিয়ে ভিডিও বানানোর পুরো মেথড। এই ধরনের চ্যানেলে ভিউ ধরে রাখা সহজ আর কনটেন্ট ফুরায় না।
প্রথম কাজ: পছন্দের একটা ঘটনা নিন, সেশনে দেখানো নিয়মে প্রম্পট বের করে একটা ভিডিও নামান।
Gemini Omni দিয়ে নিজের চেহারা বা বানানো ক্যারেক্টার ব্যবহার করা। নতুন সেশন, ভিডিও যোগ হতে থাকবে।
প্রথম কাজ: একটা ক্যারেক্টার বানিয়ে সেভ করে রাখুন, সেশন ১২-তে কাজে লাগবে।
ব্যবসার জন্য বিজ্ঞাপনের ভিডিও আর স্ট্যাটিক অ্যাড বানানো, প্রোডাক্টে মডেল বসানো সহ। লোকাল ব্যবসাগুলোর এই জিনিসটা সবচেয়ে বেশি দরকার।
প্রথম কাজ: চেনা একটা দোকান বা পেজের জন্য বিনা পয়সায় একটা অ্যাড বানিয়ে পাঠান। বেশিরভাগ প্রথম ক্লায়েন্ট এভাবেই আসে।
প্রম্পট লেখার কাঠামো, চেইন অফ থট, টাস্ক ডিকম্পোজিশন, ফিউ-শট সহ কয়েকটা ফ্রেমওয়ার্ক। এই সেশনটা করলে বাকি সব সেশনের আউটপুট ভালো হবে।
প্রথম কাজ: আগে যে প্রম্পটে খারাপ আউটপুট পেয়েছিলেন, সেটা এখানকার একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে আবার লিখুন। পার্থক্যটা নিজেই দেখবেন।
যেকোনো স্টাইলে ছবি বানানো, আর্ট, ফটোগ্রাফিক, ম্যাটেরিয়াল বেসড। থাম্বনেইল, পোস্টার, প্রোডাক্ট ছবি, সবই এখান থেকে।
প্রথম কাজ: আপনার পেজের জন্য পাঁচটা থাম্বনেইল বানিয়ে রাখুন। পরের ভিডিওগুলোতে সময় বাঁচবে।
টপিক রিসার্চ থেকে শুরু করে আউটলাইন, লেখা আর এডিট, পুরো আর্টিকেল AI দিয়ে, তবে পড়তে মানুষের লেখার মতো।
প্রথম কাজ: একটা আর্টিকেল লিখে নিজের নামে কোথাও পাবলিশ করুন। ক্লায়েন্টকে দেখানোর জন্য স্যাম্পল লাগবে।
Claude-এর সাথে ফেসবুক পেজ আর অ্যাড অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা। যারা ক্লায়েন্টের পেজ চালান, তাদের অনেক সময় বাঁচে।
প্রথম কাজ: নিজের পেজটা যুক্ত করে একবার চালিয়ে দেখুন।
ইবুক, ডিজাইন অ্যাসেট, প্রফেশনাল স্লাইড, বিক্রি করার মতো ডিজিটাল প্রোডাক্ট বানানো। একবার বানালে বারবার বিক্রি হয়।
প্রথম কাজ: ছোট একটা ইবুক নামান। ২০ পাতার হলেই চলবে।
Seedance দিয়ে নিজের চেহারা ব্যবহার করে থ্রিডি অ্যানিমেশন আর অ্যাকশন সিন। রিলসের জন্য এখন সবচেয়ে বেশি চলছে।
প্রথম কাজ: সেশনে দেওয়া ফ্রি প্রম্পট সোর্স থেকে একটা নিয়ে প্রথম ক্লিপটা বানান।
AI ইনফ্লুয়েন্সার বা অ্যাভাটার বানানো, পোশাক-চেহারা বদলানো, নাচ আর রিলস তৈরি। ব্র্যান্ডের কাজ আর নিজের পেজ, দুটোতেই চলে।
প্রথম কাজ: একটা অ্যাভাটার বানিয়ে তাকে দিয়ে একটা রিলস বানান আর পোস্ট করুন।
কোড না লিখে ক্রোম এক্সটেনশন বানানো, ফাইল, আইকন, টেস্টিং সহ পুরোটা।
প্রথম কাজ: নিজের একটা বিরক্তিকর কাজ ঠিক করে এমন ছোট এক্সটেনশন বানান। ওটাই আপনার স্যাম্পল।
AI দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বানিয়ে প্লে-স্টোরে পাবলিশ করা। মাস্টার প্রম্পট থেকে অ্যাসেট, বাগ ফিক্স, আপলোড পর্যন্ত।
প্রথম কাজ: ছোট একটা অ্যাপের মাস্টার প্রম্পট লিখে প্রথম ড্রাফট বের করুন।
AI এজেন্ট আর অটোমেশন, n8n ইনস্টল থেকে প্রথম এজেন্ট বানানো পর্যন্ত। কাস্টমারের মেসেজের উত্তর অটোমেটিক দেওয়ার সিস্টেম এখান থেকেই।
প্রথম কাজ: n8n ইনস্টল করে সবচেয়ে সহজ এজেন্টটা চালু করুন। কাজ করতে দেখলে বাকিটা সহজ লাগবে।
বই আর ডাউনলোড, বাংলা প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং বই সহ। সাথে ফ্রি কোডে Sora চালু করার নিয়ম।
প্রথম কাজ: ফাইলগুলো ফোনে নামিয়ে রাখুন। ইন্টারনেট ছাড়াও পড়া যাবে।
একটা পুরো লাইভ প্রজেক্ট, পেজ আর চ্যানেল খোলা, লোগো, ভিডিও, হুক, ক্যাপশন, তারপর সব প্ল্যাটফর্মে পাবলিশ। আলাদা আলাদা শেখা জিনিসগুলো এখানে এক হয়।
প্রথম কাজ: প্রজেক্টটা দেখতে দেখতে সাথে সাথে করুন। শুধু দেখলে এই সেশনের কোনো দাম নেই।
ভাইরাল কনটেন্টের কাঠামো, FRIP মেথড, টেক্সট পোস্ট, থ্রেড, শিডিউলিং। অনুমান বাদ দিয়ে নিয়ম ধরে পোস্ট বানানো।
প্রথম কাজ: FRIP ধরে একটা টেক্সট পোস্ট লিখে আজই দিন।
প্ল্যাটফর্মের মনিটাইজেশন চালু হওয়ার আগেই টাকা আনার উপায়। যাদের ফলোয়ার কম, তাদের জন্য এই সেশনটাই সবচেয়ে জরুরি।
প্রথম কাজ: ভিডিওতে বলা মেথডগুলোর একটা বেছে এই সপ্তাহেই চেষ্টা করুন।
প্রতিদিন নতুন ভাইরাল কনটেন্ট বানানোর মেথড, বাংলা আর ইংরেজি দুটোতেই। প্রতিটা ভিডিওর সাথে কুইজ আছে, তাই বোঝা হলো কি না সাথে সাথেই ধরা পড়ে।
প্রথম কাজ: দিনে একটা ভিডিও, দেখেই একটা পোস্ট। সাত দিন করলে পার্থক্যটা নিজেই দেখবেন।
বই আর রিসোর্স, প্রম্পট বই, ২০০+ লাভজনক নিশ, বাছাই করা GPT-র লিস্ট।
প্রথম কাজ: নিশের লিস্ট থেকে আপনারটা এখনই বেছে ফেলুন।
একই কোর্স, একই ভিডিও। যারা এগোয় আর যারা থেমে যায়, পার্থক্যটা প্রায় সবসময় এই ছয়টার মধ্যেই।
সপ্তাহে একদিন বসে সাতটা ভিডিও দেখার চেয়ে সাত দিনে একটা করে দেখা অনেক ভালো কাজ করে। মনে থাকে বেশি, ছাড়াও হয় না।
যে কাজটা ভিডিওতে দেখলেন, সেটা একদিনের মধ্যে নিজে না করলে জিনিসটা থাকে না। "পরে করবো" মানে করবেন না।
ভিডিও, লেখা আর সিস্টেম, তিনটাই লোভনীয়। কিন্তু একসাথে ধরলে কোনোটাতেই ক্লায়েন্ট পাওয়ার মতো ভালো হবেন না। একটা দাঁড় করিয়ে তারপর পরেরটা।
প্রথম ভিডিও বা লেখা খারাপ হবেই। পোস্ট না করলে ভালো হওয়ার সুযোগও নেই। যারা এগোয় তারা ভালো বানায় বলে না, বেশি বানায় বলে।
প্রথম ক্লায়েন্ট বিজ্ঞাপন দিয়ে আসে না। চেনা একটা ব্যবসাকে একটা কাজ বিনা পয়সায় করে দিন। কাজ পছন্দ হলে দ্বিতীয়টার দাম নিজেই আসে।
ড্যাশবোর্ডে অর্জন জানানোর জায়গা আছে। লিখলে নিজের কাছেই হিসাবটা পরিষ্কার থাকে, আর নতুনরা দেখে যে জিনিসটা আসলেই হয়।
এখানে উত্তর না পেলে সরাসরি লিখুন। প্রশ্নের সাথে স্ক্রিনশট দিলে উত্তর তাড়াতাড়ি আসে।