অ্যাডমিশন চলছে AIinBangla'র সব কোর্সে ৪০% ডিস্কাউন্ট! ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

AI Champions কোর্স দেখুন
মূল অংশে যান
AIinBangla

জীবন বদলানোর ১২টা নিয়ম, ১২ মাসের জন্য (Dan Koe এর ভাবনা থেকে)

Dan Koe এর ভাবনা থেকে জীবন বদলানোর ১২টা নিয়ম বাংলায়: অ্যান্টি ভিশন, নিজের মানদণ্ড, প্রজেক্টে শেখা, দৈনিক লিভার, হাই এজেন্সি আর নিজের ওপর পরীক্ষা।

জীবন বদলের ১২ নিয়ম: ক্যালেন্ডার, খাতা আর পেন্সিল, টবের গাছ আর ঘড়ি, কাগজ কেটে বানানো ছবি

Dan Koe এর ভাবনা থেকে নেওয়া জীবন বদলানোর ১২টা নিয়মের মূল কথা: নিয়ম ছুড়ে ফেলা না, নিজের জন্য নিয়ম, মানদণ্ড আর প্রজেক্ট বানানো, যাতে জীবনটা অর্থপূর্ণ একটা খেলার মতো হয়। শুরু করুন কী চান না সেটা লিখে (অ্যান্টি ভিশন), তারপর কী চান, তারপর প্রতিদিন এক থেকে তিনটা ছোট কাজ যা আপনাকে সেদিকে এগিয়ে নেয়।

এক নজরে

  • আগে লিখুন কী জীবন চান না, তারপর কী চান।
  • টিউটোরিয়াল না, বাস্তব প্রজেক্ট করে শিখুন।
  • প্রতিদিন এক থেকে তিনটা কাজ, যা লক্ষ্যকে সত্যি এগোয়।
  • অন্যের রুটিন অন্ধভাবে না, নিজের ওপর ছোট পরীক্ষা করে দেখুন।

নিয়ম কেন দরকার

আমরা প্রায়ই ভাবি, কোনো নিয়ম বা বাধা না থাকলে জীবনটা কত সুন্দর হতো। কিন্তু পুরো স্বাধীনতা অনেক সময় আমাদের আরও বিরক্ত, একঘেয়ে আর উদ্দেশ্যহীন করে। ছুটির প্রথম সপ্তাহ ভালো লাগে, তৃতীয় সপ্তাহে দিন কাটে না।

লেখক আর অনলাইন ক্রিয়েটর Dan Koe এর লেখার একটা মূল ভাবনা হলো, সমাধান নিয়ম ফেলে দেওয়া না, নিজের জন্য নিয়ম, মানদণ্ড আর প্রজেক্ট ডিজাইন করা। তখন জীবন হয় নিজের বানানো একটা খেলা, যার লক্ষ্য আর নিয়ম আপনি জানেন।

নিচের ১২টা নিয়ম তার সেই ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত, আমাদের ভাষা আর উদাহরণে সাজানো। এক বছরে সবগুলো না, প্রতি মাসে একটা নিয়ে কাজ করার মতো করে পড়ুন।

১ থেকে ৩: কোথায় যাবেন না, কোথায় যাবেন

১. অ্যান্টি ভিশন দিয়ে শুরু করুন। জীবনে কী চান তা ভাবার আগে লিখুন কী কোনোভাবেই চান না। যেমন: "শেখার সুযোগ নেই এমন চাকরিতে আটকে থাকব না", "৩০ বছরে অস্বাস্থ্যকর জীবন চাই না", "সম্মান নেই এমন সম্পর্কে থাকব না"। এই অপছন্দের ছবিটাই বদলের সবচেয়ে বড় ধাক্কা দেয়।

জীবন বদলের ১২ নিয়ম: ক্যালেন্ডার, ঘড়ি আর চায়ের কাপ, কাগজ কেটে বানানো ছবি

২. নিজের মানদণ্ড ঠিক করুন। স্বাস্থ্য, কাজ আর জ্ঞানের মতো জরুরি জায়গায় কিছু নিয়ম রাখুন যা নিয়ে দর কষাকষি নেই। যেমন "ক্লায়েন্টের ডেডলাইনের আগে কাজ জমা দেব", বা "প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমাব"। মানদণ্ড থাকলে ছোট সিদ্ধান্তগুলো নিজে থেকেই সহজ হয়।

৩. ভিশন লিখুন। অ্যান্টি ভিশনের উল্টো দিকটা: তিন বছর পর একটা সাধারণ দিন কেমন হলে আপনি খুশি। কোথায় থাকেন, কী কাজ করেন, কাদের সাথে সময় কাটান। দুইটা পাশাপাশি থাকলে কোন দিকে হাঁটছেন, প্রতিদিন বোঝা যায়।

প্রম্পট: "আমাকে একটা একটা করে প্রশ্ন করো, যাতে আমি আমার অ্যান্টি ভিশন (যে জীবন চাই না) আর ভিশন (তিন বছর পরের একটা সাধারণ দিন) পরিষ্কার করে লিখতে পারি। মোট ৮টা প্রশ্ন, শেষে দুইটাকে পাঁচ লাইনে সাজিয়ে দাও।"

৪ থেকে ৬: শেখা, প্রতিদিনের কাজ আর গভীরতা

৪. প্রজেক্ট করে শিখুন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টিউটোরিয়াল দেখা বন্ধ করুন, আসল শেখা হয় বাস্তব কিছু বানাতে গিয়ে। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাইলে নিজের একটা ছোট ফেসবুক পেজ খুলে কৌশলগুলো পরীক্ষা করুন। প্রজেক্ট আপনাকে ডেডলাইন, ফিডব্যাক আর এমন অভিজ্ঞতা দেয় যা ভিডিও দিতে পারে না। AI শিখতে চাইলেও একই পথ, প্রজেক্ট ধরে সাজানো আছে AI শেখার রোডম্যাপে।

৫. প্রতিদিন এক থেকে তিনটা লিভার। লিভার মানে এমন কাজ, যা লক্ষ্যকে সত্যি এক ধাপ এগোয়। লক্ষ্য বই লেখা হলে দৈনিক লিভার "বই লেখা" না, "আজ ৫০০ শব্দ" বা "দ্বিতীয় অধ্যায়ের গবেষণা"। দুই সপ্তাহ পরেও প্রজেক্টে অগ্রগতি না দেখলে বুঝবেন আপনি ব্যস্ত, কিন্তু ভুল কাজে।

৬. ডিপ জেনারেলিস্ট হোন। শুধু এক বিষয়ে আটকে না থেকে কয়েকটা বিষয় জানুন, তবে প্রতিটা ভালো করে। যে গ্রাফিক ডিজাইনার মার্কেটিংয়ের মনস্তত্ত্ব আর কপিরাইটিংয়ের বেসিকও বোঝেন, তার চাহিদা শুধু ডিজাইন জানা মানুষের চেয়ে বেশি। মার্কেটিংয়ে কাজ করা কারো জন্য AI এর জ্ঞান ঠিক এমন একটা বাড়তি সুবিধা।

৭ থেকে ৯: মানসিকতা

৭. হাই এজেন্সি নিয়ে চলুন। উদ্যোক্তা হওয়া মানে শুধু ব্যবসা না, একটা মানসিকতা: যেকোনো অবস্থায় নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়া। এলাকায় কারেন্ট গেলে অভিযোগ করা "লো এজেন্সি"। "হাই এজেন্সি" ভাবে: ফোনের চার্জে কাজটা সেরে ফেলা যায়? কাছের কোনো ক্যাফেতে যাব?

জীবন বদলের ১২ নিয়ম: খাতা আর পেন্সিল, টবের গাছ আর টেবিল ল্যাম্প, কাগজ কেটে বানানো ছবি

৮. শুধু ভোক্তা না, নির্মাতা হোন। পার্সোনাল ফাইন্যান্সের দশটা বই পড়া হলো ভোক্তা হওয়া। সেই জ্ঞান দিয়ে একটা ব্লগ পোস্ট লেখা বা বন্ধুদের জন্য সহজ একটা বাজেট টেমপ্লেট বানানো হলো নির্মাতা হওয়া। বানাতে গেলে শেখা গভীর হয়, আর এই কাজই অনেক সময় নতুন সুযোগ আর মানুষের সাথে পরিচয় ঘটায়। নিজের পোস্ট কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছায়, তার কাঠামো আছে ভাইরাল কনটেন্টের ফর্মুলায়।

৯. অনিশ্চয়তাকে সংকেত হিসেবে দেখুন। জীবন বদলানোর চেষ্টা করলে নিজেকে হারানো বা অনিশ্চিত লাগবে, এটা স্বাভাবিক। ভয় না পেয়ে বারবার দেখুন কোথায় ভুল হচ্ছে আর কী ভালো করা যায়। নিরাপদ চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় নামার মতো বড় ঝুঁকি একবারে না নিয়ে, ধীরে ধীরে ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ান।

১০ থেকে ১২: নিজের মতো জীবন

১০. উৎসাহ ডিজাইন করুন। কোন কাজ করলে সময় কখন চলে যায় টের পান না? দিনের সেরা সময়টা সেই কাজে দিন। যে কাজ শক্তি শুষে নেয়, সেটা দিনের শেষে রাখুন বা সম্ভব হলে অন্যকে দিয়ে করান। ধরুন আপনি ফ্রিল্যান্সার, ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলতে ভালোবাসেন কিন্তু রিপোর্ট বানাতে না। তাহলে সকালে মিটিং, রিপোর্ট বিকেলে, আর সম্ভব হলে রিপোর্টের খসড়া AI দিয়ে।

১১. নিজের ওপর পরীক্ষা চালান। অন্যের ফর্মুলা অন্ধভাবে না মেনে নিজে দেখুন। বন্ধু ভোর ৫টায় উঠে সবচেয়ে ভালো কাজ করে, কিন্তু আপনি হয়তো রাতের মানুষ। দুই সপ্তাহ করে আলাদা রুটিন চালিয়ে দেখুন কোনটায় আপনার কাজ বেশি হয়। ডায়েট, পড়ার পদ্ধতি বা কাজের সময়, সবকিছুতে একই কথা।

১২. নিজের পথে চলুন, ভুল মেনে নিন। জীবনের একটাই "সঠিক পথ" নেই। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এখন মনে হচ্ছে লেখালেখি বেশি ভালো লাগে? সেটা ভুল সিদ্ধান্ত না, অভিজ্ঞতা, যা শিখিয়েছে আপনি আসলে কী চান। অন্যের অনুমতির অপেক্ষা না করে নতুন কিছু চেষ্টা করার সাহস রাখুন।

১২ মাসে কীভাবে মানবেন

বারোটা নিয়ম একসাথে মানতে গেলে এক সপ্তাহে সব থেমে যায়। প্রতি মাসে একটা নিয়ম নিন, মাসের শেষে দশ মিনিট বসে লিখুন কী বদলাল।

০১প্রথম মাসঅ্যান্টি ভিশন আর ভিশন লিখে দেয়ালে বা ফোনের লক স্ক্রিনে রাখুন।
০২দ্বিতীয় মাসতিনটা মানদণ্ড ঠিক করুন, প্রতিদিন রাতে টিক দিন।
০৩তৃতীয় মাসএকটা ছোট প্রজেক্ট শুরু করুন, প্রতিদিনের লিভার লিখে।
প্রতি মাসে একটা নিয়ম, বছর শেষে বারোটা।

প্রজেক্ট হিসেবে নিজের দক্ষতা দিয়ে প্রথম আয় করাটাও হতে পারে, যেমন এলাকার দোকান বা পেজের জন্য AI দিয়ে কাজ। কীভাবে শুরু করবেন আছে প্রথম ক্লায়েন্ট কোথায় পাবেন লেখায়।

সচরাচর যা জিজ্ঞেস করা হয়

Dan Koe কে?
Dan Koe একজন লেখক আর অনলাইন ক্রিয়েটর, যিনি নিজের ব্যবসা, লেখালেখি আর জীবন নতুন করে সাজানো নিয়ে লেখেন। এই লেখার নিয়মগুলো তার ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত, হুবহু অনুবাদ না।
অ্যান্টি ভিশন কেন আগে লিখব?
কারণ কী চান না সেটা আমরা সাধারণত বেশি পরিষ্কার জানি, আর সেই অস্বস্তিটা বদলের জোর দেয়। এরপর ভিশন লিখলে দুই দিকের পার্থক্য স্পষ্ট হয়।
চাকরি করে কি এই নিয়মগুলো মানা যায়?
যায়। দৈনিক লিভার, মানদণ্ড আর নিজের ওপর পরীক্ষা চাকরির পাশেও চলে। দিনে ৩০ থেকে ৬০ মিনিট একটা প্রজেক্টে দিলেই কয়েক মাসে বড় পার্থক্য দেখা যায়।
সব নিয়ম কি সবার জন্য?
না। এগুলো চিন্তার কাঠামো, আইন না। যেটা আপনার জীবনে খাটে নিন, যেটা খাটে না বাদ দিন। নিয়ম ১১ এর কথাও সেটাই: নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন।

প্রথম ক্লায়েন্ট থেকে প্রথম টাকা পর্যন্ত

প্রথম ইনকাম কোর্সে ১০টা বাংলা লেসনে লোকাল ক্লায়েন্ট খোঁজা, মেসেজ, দাম ঠিক করা আর বাংলাদেশে টাকা নেওয়া ধাপে ধাপে দেখানো আছে।

প্রথম ইনকাম কোর্সটা দেখুন

১২টা বাংলা AI বই, ফ্রি

ChatGPT, Claude ও Gemini, AI টুল, কনটেন্ট, ব্যবসার প্রম্পট, ফেসলেস ইউটিউব আর আরও কয়েকটা। যে কাজে আটকে আছেন, সেই বইটা পিক করুন।

আপনার বইটা পিক করুন

বিষয়
নাসির উদ্দিন শামীম
লেখক

নাসির উদ্দিন শামীম

ঢাকা থেকে বলছি। ইন্টারনেট মার্কেটিং করি, আর নতুন কোনো এআই টুল বের হলেই সেটা ধরে দেখি কাজে লাগে কি না। যেটা সত্যিই কাজের, সেটা নিয়ে ফেসবুক আর ইউটিউবে কথা বলি। এখানে সেই জিনিসগুলোই গুছিয়ে শেখানোর চেষ্টা করি, যাতে আপনি নিজেও কাজে লাগাতে পারেন।

পড়া শেষ?

লেখাটা পড়েছেন মানে আপনি জিনিসটা বুঝেছেন, এখন এইটা আরও Detailed শিখে কাজে নেমে যাওয়ার পালা...

৩০ সেকেন্ডের কুইজ বলে দিবে আপনার অবস্থায় কোন কোর্সটা লাগবে।

Nasir Uddin Shamim

Nasir Uddin Shamim

Typically replies within 5-10 minutes.

I will be back soon

Nasir Uddin Shamim
Hey there 👋
It’s your friend Nasir Uddin Shamim. How can I help you?