অ্যাডমিশন চলছে AIinBangla'র সব কোর্সে ৪০% ডিস্কাউন্ট! ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

AI Champions কোর্স দেখুন
মূল অংশে যান
AIinBangla

AI দিয়ে লেখা কনটেন্ট কি Google-এ র‍্যাঙ্ক করে? সোজা উত্তর

Google আসলে AI কনটেন্টের বিরুদ্ধে কি না, কোন লেখা র‍্যাঙ্ক করে আর কোনটা করে না, নিয়মটা পরিষ্কার করে।

AI কনটেন্ট আর Google: আতশ কাচ, ওপরে ওঠা বার চার্ট, খাতা আর পেন্সিল আর রোবট, কাগজ কেটে বানানো ছবি

Google AI দিয়ে লেখার বিরুদ্ধে না, Google নিম্নমানের লেখার বিরুদ্ধে। তাদের নিজেদের নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা আছে, কীভাবে তৈরি হয়েছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখাটা পাঠকের কাজে লাগছে কি না। বাস্তবে যেসব AI লেখা র‍্যাঙ্ক করে না, সেগুলো AI বলে বাদ পড়ে না, ফাঁপা বলে বাদ পড়ে।

এক নজরে

  • AI ব্যবহার নিষিদ্ধ না; উদ্দেশ্যহীন গণহারে লেখা প্রকাশ সমস্যা।
  • যে লেখায় নতুন কিছু নেই, সেটা মানুষ লিখলেও র‍্যাঙ্ক করে না।
  • নিজের অভিজ্ঞতা, উদাহরণ আর সংখ্যা যোগ করলেই পার্থক্য তৈরি হয়।
  • AI শনাক্তকারী টুল নির্ভরযোগ্য না, ওগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা অপ্রয়োজনীয়।

নিয়মটা আসলে কী

Google-এর অবস্থান সহজ: পাঠকের জন্য লেখা হয়েছে, নাকি শুধু সার্চ ইঞ্জিনকে দেখানোর জন্য। AI দিয়ে লেখা একটা ভালো, কাজে লাগার মতো আর্টিকেল র‍্যাঙ্ক করবে। মানুষের হাতে লেখা একটা ফাঁপা আর্টিকেল করবে না।

যেটা শাস্তি পায় সেটা হলো স্কেল, একই বিষয়ে শত শত প্রায় একরকম পাতা বানিয়ে ফেলা, যেখানে কোনোটাতেই নতুন কিছু নেই।

যেসব AI লেখা র‍্যাঙ্ক করে না

সমস্যা কেন র‍্যাঙ্ক করে না
প্রম্পট দিয়ে সরাসরি পেস্ট একই প্রশ্নে সবাই প্রায় একই উত্তর পায়, নতুন কিছু নেই
কোনো উদাহরণ নেই সাধারণ কথা সবাই লিখেছে; পাঠকের কাজে লাগে না
ভুল বা পুরোনো তথ্য যাচাই না করলে ভুল থেকে যায়, আস্থা নষ্ট হয়
প্রশ্নের উত্তর নেই শিরোনামে যা বলা হয়েছে লেখায় সেটা নেই
AI কনটেন্ট আর Google: খাতা আর পেন্সিল, রোবট আর আতশ কাচ, কাগজ কেটে বানানো ছবি

যা করলে র‍্যাঙ্ক করে

০১শুরুতেই উত্তর দিনপ্রথম দুই-তিন লাইনেই মূল উত্তর। পাঠক আর AI, দুজনেই এটা খোঁজে।
০২নিজের কিছু যোগ করুননিজের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় দাম, একটা স্ক্রিনশট, একটা সংখ্যা। এটাই আপনাকে আলাদা করে।
০৩গঠন দিনউপশিরোনাম, লিস্ট, টেবিল, FAQ। পড়তেও সহজ, তুলে নিতেও সহজ।
০৪যাচাই করে প্রকাশ করুনসংখ্যা আর নাম মিলিয়ে নিন। একটা ভুল তথ্য পুরো লেখার আস্থা নষ্ট করে।
AI দিয়ে খসড়া, মানুষের হাতে দাম সংযোজন, এই ভাগটাই কাজ করে।

AI সার্চে দেখা যাওয়ার ব্যাপারটা এখন আলাদা

এখন অনেক পাঠক গুগলে না গিয়ে সরাসরি AI-কে প্রশ্ন করে। সেখানে দেখা যেতে হলে লেখার গঠনটা গুরুত্বপূর্ণ: পরিষ্কার প্রশ্ন-উত্তর, ছোট অনুচ্ছেদে সরাসরি উত্তর, আর টেবিল। যে লেখা থেকে একটা সরাসরি উত্তর তুলে নেওয়া সহজ, সেটাই উদ্ধৃত হয়।

AI কনটেন্ট আর Google: ওপরে ওঠা বার চার্ট, ট্রফি আর গ্লোব, কাগজ কেটে বানানো ছবি

Google আসলে কী দেখে

তাদের নিজেদের ভাষায় ব্যাপারটা চারটা প্রশ্নে দাঁড়ায়: লেখাটায় কি মৌলিক তথ্য বা বিশ্লেষণ আছে? বিষয়টার পূর্ণ ব্যাখ্যা আছে, নাকি উপরে উপরে? লেখকের কি বিষয়টা নিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে? আর পড়ার পর পাঠক কি সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যায়, নাকি আবার সার্চে ফিরে আসে?

শেষ প্রশ্নটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাঠক আপনার পাতায় ঢুকে দশ সেকেন্ডে বেরিয়ে আবার সার্চ করলে Google বুঝে যায় উত্তরটা এখানে ছিল না।

AI-র খসড়াকে নিজের লেখায় বদলানোর মেথড

০১নিজের সংখ্যা বসানস্থানীয় দাম, নিজের ফল, নিজের পরীক্ষার হিসাব। এই একটা কাজেই লেখাটা আলাদা হয়ে যায়।
০২একটা উদাহরণ যোগ করুননিজের বা চেনা কারো বাস্তব ঘটনা। AI এটা বানাতে পারে না।
০৩ভাষা নিজের করুনযেসব বাক্য আপনি নিজে বলবেন না, সেগুলো বদলান। অতিরিক্ত মসৃণ ভাষাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ।
০৪ভুল বাদ দিনপ্রতিটা তথ্য, নাম আর সংখ্যা যাচাই করুন। একটা ভুল পুরো লেখার আস্থা নষ্ট করে।
এই চারটা ধাপে সময় লাগে ৩০ মিনিট, আর এটাই পার্থক্য তৈরি করে।

বাংলা কনটেন্টে সুযোগটা বড়

ইংরেজিতে প্রতিটা প্রশ্নের হাজারো ভালো উত্তর আছে। বাংলায় অনেক প্রশ্নের একটাও ভালো উত্তর নেই, বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দাম, নিয়ম বা প্রক্রিয়া নিয়ে। যেখানে প্রতিযোগিতা নেই, সেখানে সাধারণ মানের লেখাও এক নম্বরে যায়।

সবচেয়ে ভালো কৌশল: এমন প্রশ্ন বেছে নিন যেটার উত্তর দিতে হলে বাংলাদেশে থাকতে হয়। "বাংলাদেশ থেকে কীভাবে", "কত টাকা লাগে", "কোন ব্যাংকে" জাতীয় প্রশ্ন।

যেটা আসলে শাস্তি পায়

Google-এর নীতিতে যাকে বলা হয় স্কেলড কনটেন্ট অ্যাবিউজ: এক বিষয়ে শত শত প্রায় একরকম পাতা বানিয়ে ফেলা, যেখানে কোনোটাতেই নতুন কিছু নেই। AI দিয়ে দিনে ৫০টা পোস্ট প্রকাশ করলে এই বিভাগেই পড়বেন। সপ্তাহে দুটো ভালো লেখা অনেক বেশি নিরাপদ এবং কার্যকর।

Google কি AI দিয়ে লেখা ধরতে পারে?

প্রশ্নটা আসলে অন্য জায়গায়। Google এর স্প্যাম নীতি বলে, মূল্যহীন বিপুল কনটেন্ট সমস্যা, সেটা যেভাবেই তৈরি হোক; মানে তারা দেখে লেখার মান আর উদ্দেশ্য, কী দিয়ে লেখা হলো সেটা না।

অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত Google এর নীতিতে "scaled content abuse" এর উদাহরণ হিসেবে স্পষ্ট লেখা আছে: ব্যবহারকারীর জন্য কোনো মূল্য যোগ না করে generative AI দিয়ে অনেক পাতা বানানো (Google Search Central)। তাই ঝুঁকি AI তে না, মূল্যহীন সংখ্যায়।

একই তালিকায় আছে অন্যের লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘুরিয়ে বা অনুবাদ করে ছাপানো, আর কয়েকটা সাইটের লেখা জোড়া লাগানো। AI এই কাজগুলো সহজ করেছে বলেই এগুলো এখন বেশি নজরে।

Who, How, Why: Google এর তিন প্রশ্ন কী?

Google এর helpful content নির্দেশিকা প্রতিটা লেখাকে তিন প্রশ্নে মাপতে বলে: কে লিখেছে, কীভাবে বানানো, আর কেন বানানো (Google Search Central)। AI ব্যবহার করলে দ্বিতীয় প্রশ্নটা আপনার জন্য বিশেষ জরুরি।

প্রশ্ন Google যা বলে আপনি যা করবেন
Who, কে পাঠক যেখানে আশা করে, সেখানে সঠিক লেখকের নাম দিতে জোর দেয় লেখকের নাম আর ছোট পরিচিতির পাতা রাখুন
How, কীভাবে AI বা অটোমেশন ব্যবহার হলে, পাঠক যেখানে জানতে চাইবে সেখানে জানানো উপকারী বলে দরকার হলে এক লাইনে লিখুন কোন কাজে AI এর সাহায্য নিয়েছেন
Why, কেন এটাকে সম্ভবত সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন বলে; লেখা হবে মানুষকে সাহায্যের জন্য শুরুর আগে লিখুন কোন পাঠকের কোন সমস্যা মেটাবে

একই পাতায় Google বলেছে, E-E-A-T নিজে কোনো র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর না, আর এর চারটা দিকের মধ্যে আস্থাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আস্থা আসে সঠিক তথ্য, উৎস আর পরিষ্কার লেখকের পরিচয় থেকে।

AI Overview আসার পর ব্লগ লিখে কি লাভ আছে?

আছে। Google এর AI Overview আর AI Mode এর উত্তরের পাশে যে লিংক দেখায়, সেগুলো সাধারণ সার্চে ইনডেক্স হওয়া পাতা থেকেই আসে। Google লিখেছে, সেখানে আসতে বাড়তি কোনো শর্ত বা বিশেষ অপটিমাইজেশন লাগে না (Google Search Central, অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত)।

শর্ত শুধু দুটো: পাতাটা ইনডেক্স হতে হবে, আর সার্চে স্নিপেট দেখানোর যোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ ভালো SEO ই AI সার্চের ভিত্তি। কীভাবে লেখা সাজালে উদ্ধৃত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, সেটা আছে AI সার্চে দেখা যাওয়ার উপায় লেখায়।

এই ফিচার থেকে আসা ট্রাফিক Search Console এর Performance রিপোর্টে "Web" সার্চ টাইপের ভেতরেই গোনা হয়, আলাদা কোনো ঘরে না।

প্রকাশের আগে কোন চেকলিস্ট মিলাবেন?

AI এর খসড়া প্রকাশের আগে পাঁচটা জিনিস মিলিয়ে নিলে বেশিরভাগ দুর্বলতা ধরা পড়ে। পুরো কাজে দশ থেকে পনেরো মিনিট লাগে।

০১প্রথম অনুচ্ছেদশিরোনামের প্রশ্নের উত্তর কি প্রথম দুই তিন লাইনে আছে? না থাকলে ওপরে আনুন।
০২তথ্য মেলানোপ্রতিটা নাম, তারিখ আর সংখ্যা মূল উৎসের সাথে মিলিয়েছেন? সময় বদলায় এমন তথ্যে তারিখ লিখুন।
০৩নিজের অংশঅন্তত একটা জিনিস আছে যা শুধু আপনার কাছে: নিজের স্ক্রিনশট, স্থানীয় উদাহরণ বা নিজের পরীক্ষা?
০৪পুনরাবৃত্তিনিজের সাইটের আগের কোনো লেখার সাথে প্রায় হুবহু মিলছে না তো? মিললে দুটো এক করুন।
০৫লেখক আর তারিখলেখকের নাম আর আপডেটের তারিখ দেখা যাচ্ছে কি না দেখে নিন।
যে লেখা এই পাঁচটা পার হয়, সেটা AI দিয়ে শুরু হলেও পাঠকের কাজের লেখা।

খসড়া থেকে শেষ লেখা পর্যন্ত পুরো পদ্ধতি আছে AI দিয়ে আর্টিকেল লেখার ছয় ধাপের নিয়মে, আর AI এর ভুল ধরার কৌশল আছে AI এর উত্তর যাচাই করার সহজ নিয়মে।

তথ্যসূত্র: Google Search Central: Spam policies; Google Search Central: Creating helpful content; Google Search Central: AI features and your website. সর্বশেষ যাচাই: ১৪ অক্টোবর ২০২৬।

সচরাচর যা জিজ্ঞেস করা হয়

AI দিয়ে লিখলে কি জানিয়ে দিতে হবে?
Google বাধ্যতামূলক করেনি। তবে পাঠকের আস্থার জন্য অনেকে জানিয়ে দেন। সিদ্ধান্তটা আপনার।
AI ডিটেক্টর ধরে ফেললে সমস্যা?
ওই টুলগুলো নির্ভরযোগ্য না, মানুষের লেখাকেও প্রায়ই AI বলে ধরে। Google এর নির্দেশিকা দেখে লেখার মান আর উদ্দেশ্য, কীভাবে লেখা হয়েছে সেটা না।
তাহলে AI দিয়ে লেখাই ভালো?
খসড়ার জন্য চমৎকার। কিন্তু যাচাই, উদাহরণ আর নিজের অভিজ্ঞতা যোগ না করলে লেখাটা ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাবে।
কত ঘন ঘন পোস্ট করা উচিত?
সপ্তাহে এক থেকে দুটো ভালো লেখা যথেষ্ট। সংখ্যার চেয়ে ধারাবাহিকতা আর মান বেশি জরুরি।
পুরোনো লেখা আপডেট করা কি কাজে দেয়?
খুব দেয়। তারিখ, দাম আর টুলের নাম আপডেট করলে পুরোনো লেখা আবার উপরে উঠে আসে, আর নতুন লেখার চেয়ে এতে পরিশ্রম কম।
AI দিয়ে অনুবাদ করা লেখা কি Google এ র‍্যাঙ্ক করে?
অন্যের লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদ করে মূল্য যোগ না করে ছাপালে সেটা Google এর স্প্যাম নীতিতে পড়তে পারে। নিজের লেখা অনুবাদ করে, মানুষ দিয়ে দেখে নিয়ে আর স্থানীয় উদাহরণ যোগ করলে সেটা আলাদা, তখন পাঠকের জন্য নতুন মূল্য তৈরি হয়।
নতুন সাইট কি শুধু AI কনটেন্ট দিয়ে শুরু করা যায়?
যায়, তবে সংখ্যা দিয়ে না, মান দিয়ে শুরু করুন। একসাথে শত শত প্রায় একরকম পাতা ছাপালে স্কেলড কনটেন্টের ঝুঁকি তৈরি হয়। অল্প কয়েকটা যাচাই করা, নিজের অভিজ্ঞতা মেশানো লেখা দিয়ে শুরু করে ধীরে বাড়ানোই নিরাপদ।
E-E-A-T কি র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর?
Google এর নির্দেশিকা বলে, E-E-A-T নিজে সরাসরি কোনো র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর না। তবে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, কর্তৃত্ব আর আস্থা দেখায় এমন লেখাকে তাদের সিস্টেম পুরস্কৃত করতে চায়, আর এর মধ্যে আস্থাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলেছে।

কনটেন্ট বানানো শিখতে চাইলে

Viral AI Content Framework কোর্সে প্রতিদিন নতুন কনটেন্ট বানানোর পুরো মেথড দেখানো আছে, প্রতিটা ভিডিওর সাথে কুইজ সহ।

Viral AI Content Framework দেখুন

AI কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাস্টারক্লাস বইয়ের কভার
এই লেখার পরের ধাপ, ফ্রি বাংলা বই

AI কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাস্টারক্লাস

আইডিয়া থেকে পাবলিশ পর্যন্ত পুরো সিস্টেম, সাথে ৬০টা হুক আর ৩০ দিনের কনটেন্ট ক্যালেন্ডার।

বইটা ফ্রি নিন

অন্য কাজের বই খুঁজছেন? পুরো লাইব্রেরি, ১২টা বই

বিষয়
নাসির উদ্দিন শামীম
লেখক

নাসির উদ্দিন শামীম

ঢাকা থেকে বলছি। ইন্টারনেট মার্কেটিং করি, আর নতুন কোনো এআই টুল বের হলেই সেটা ধরে দেখি কাজে লাগে কি না। যেটা সত্যিই কাজের, সেটা নিয়ে ফেসবুক আর ইউটিউবে কথা বলি। এখানে সেই জিনিসগুলোই গুছিয়ে শেখানোর চেষ্টা করি, যাতে আপনি নিজেও কাজে লাগাতে পারেন।

পড়া শেষ?

লেখাটা পড়েছেন মানে আপনি জিনিসটা বুঝেছেন, এখন এইটা আরও Detailed শিখে কাজে নেমে যাওয়ার পালা...

৩০ সেকেন্ডের কুইজ বলে দিবে আপনার অবস্থায় কোন কোর্সটা লাগবে।

Nasir Uddin Shamim

Nasir Uddin Shamim

Typically replies within 5-10 minutes.

I will be back soon

Nasir Uddin Shamim
Hey there 👋
It’s your friend Nasir Uddin Shamim. How can I help you?